Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ ডিসেম্বর ২০২০

বীর উত্তম এ কে এম এরশাদ আলী অবকাশ কেন্দ্র, কক্সবাজার

ইতিহাসঃ

২০১১ সালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আনোয়ার হোসেন, এনডিসি, পিএসসি কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন পরিদর্শনকালে ১৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ খালেকুজ্জামান, পিএসসি, এসি কর্তৃক এই পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেসিও/অন্যান্য পদবীর সৈনিকদের পরিবারের সদস্যদের সাময়িক অবস্থানের জন্য একটি অবকাশ যাপনের স্থাপনের স্থাপনা নির্মাণ কারার জন্য দৃষ্টি আকর্ষন করেন। পরবর্তীতে মহাপরিচালক মহোদয় কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন এর সুবিধাজনক স্থানে একটি স্থাপনা নির্মাণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন এবং তিনি এ স্থাপনার নামকরণ করেন, “সীমান্ত অবকাশ”। ২০১২ সালের প্রারম্ভের দিকে এর নির্মান কাজ শুরু হয় এবং চট্টগ্রাম সেক্টর ও ১৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মাত্র ০৬ মাসে দশ রুম বিশিষ্ঠ এই সীমান্ত অবকাশের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। গত অক্টোবর ২০১২ সালে বিজিবি’র মহাপরিচালক মহোদয় মেজর জেনারেল আনোয়ার হোসেন, এনডিসি, পিএসসি এটি শুভ উদ্বোধন করেন।এই সীমান্ত অবকাশটি সমগ্র বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ তথা কক্সবাজার এর মধ্যে বিজিবি’র সকল সদস্যদের জন্য একটি ব্যতিক্রমধর্মী অবকাশ কেন্দ্র।

 

বিবরণ ও অবস্থানঃ

কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতটি "Longest Beach of The World" হিসেবে খ্যাত। কক্সবাজার জেলার সমুদ্র সৈকত ছাড়াও অনন্য দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা হিসেবে হিমছড়ি ঝর্ণা, ইনানী বীচ, মহেশখালী দ্বীপ, বৌদ্ধ মন্দির, বঙ্গবন্ধু ইকো সাফারী পার্ক, টেকনাফ, সেন্টমার্টিন দ্বীপ রয়েছে। কক্সবাজার জেলা শহরে অবস্থিত রেষ্ট হাউজটি রামু সেক্টরের অধিনস্থ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) দ্বারা পরিচালনা করা হয়।

 

সুবিধাদিঃ

ক। অবকাশ কেন্দ্রটি ১০ রুম বিশিষ্ট।

খ।  কর্মরত বিজিবি সদস্য ও তদ্বীয় পরিবারবর্গ কম খরচে কক্ষ ভাড়া নিতে পারবেন।

 

কক্ষ ভাড়ার হারঃ

 

যোগাযোগঃ কক্ষ বুকিং এর জন্য-০১৭৬৯-৬০১১১৯।

 

অবকাশ কেন্দ্রের স্থিরচিত্রঃ

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিংকঃ


Share with :

Facebook Facebook